গতকাল পর্তুগিজ সংবাদ মাধ্যম টিভিআই আর সিএনএন পর্তুগাল চাঞ্চল্যকর এক খবর প্রকাশ করেছিল। তারা জানিয়েছিল, এক সৌদি ক্লাব রোনালদোকে পেতে প্রায় ৩০ কোটি ইউরো বা প্রায় ২৮৩৬ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিয়েছিল। যার মধ্যে ২৮৩ কোটি টাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে রোনালদোর ট্রান্সফার ফি বাবদ, ১৮৮ কোটি টাকা এজেন্ট জর্জ মেন্দেজকে দিতে আগ্রহী ছিল ক্লাবটি। তবে মূল খরচটা সে ক্লাব করতে চেয়েছিল রোনালদোর বেতনে।
২৩৬৫ কোটি টাকা রোনালদোকে বেতন হিসেবে দিতে আগ্রহী ছিল ক্লাবটি। ৩৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ডকে দলে ভেড়াতে পারলে এই অর্থ দুই বছরে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল সেই ক্লাবের। রোনালদো ইউনাইটেডে প্রতি মৌসুমে ৩.৬ কোটি ইউরো আয় করেন। সৌদি ক্লাবের অবিশ্বাস্য এই প্রস্তাবে ‘হ্যাঁ’ বলে দিলে এমবাপেকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি আয় করা ফুটবলারে পরিণত হয়ে যেতেন তিনি। বর্তমানে কিলিয়ান এমবাপে পিএসজি থেকে ৬.২ কোটি ইউরো আয় করে থাকেন।
তবে রোনালদো তা করেননি। সৌদি সেই বেনামি ক্লাবের এমন লোভনীয় প্রস্তাব পায়ে ঠেলে দিয়েছেন তিনি। এই খবর এবার জানিয়েছে ইএসপিএন। ৩৭ বছর বয়সী এই ফুটবলার ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ ২০২৩ সাল পর্যন্ত। চুক্তিতে সুযোগ আছে মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়ে নেওয়ারও। তবে সম্প্রতি তিনি ইউনাইটেডকে জানিয়ে দিয়েছেন, ক্লাবটিতে আর থাকতে আগ্রহী নন তিনি, ভালো প্রস্তাব এলে যেন তাকে যেতে দেওয়া হয়। তবে বিশাল বেতন আর পড়তি বয়সের কারণে দল পাওয়াটা সহজ হবে না তার জন্য। এ পর্যন্ত চেলসি, পিএসজি আর বায়ার্ন মিউনিখ তাকে দলে ভেড়ানোর ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে। তবে ইএসপিএন জানাচ্ছে, বায়ার্ন এখনো আছে তাকে দলে ভেড়ানোর দৌড়ে, সঙ্গে আছে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদও। যথাযথ প্রস্তাব না এলে রোনালদোর ইউনাইটেডে থেকে যাওয়াটাও খুব সম্ভব বলে জানাচ্ছে সংবাদ মাধ্যমটি।