বর্তমানে অনেক যাত্রীবাহী নৌযানেই তামাকজাত পণ্যের অবাধে প্রদর্শন ও বিক্রি অব্যাহত রয়েছে। আইনেও সরাসরি এ সম্পর্কে কোন বাধা না থাকায় সংশ্লিষ্টরাও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারছেন না। তবে এবার এ ব্যাপারে ভূমিকা রাখার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার নেতৃবৃন্দ। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সঙ্গে ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনে করণীয়’ শীর্ষক এক যৌথ মতবিনিময় সভায় সংস্থাটির নেতৃবৃন্দ জানান, যাত্রীবাহী নৌযানে তামাকজাত পণ্যের বিক্রি বন্ধে যথাযথ উদ্যোগ নেয়া হবে।
৩০ মার্চ দুপুরে রাজধানীর পল্টনস্থ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার সভাকক্ষে সংস্থাটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ মো. বদিউজ্জামান বাদলের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ক্যাম্পেইন ফর টোবাকো ফ্রি কিডস বাংলাদেশের গ্র্যান্টস ম্যানেজার আবদুস সালাম মিয়া, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থার পরিচালক এস এম আব্দুল জাব্বার, মো. মামুন অর রশিদ, আলী আজগর খালাসী, গাজী সালাউদ্দিন বাবু, সদস্য মিলন লস্কর, মো. আব্দুল কাইয়ুম শেখ, সচিব মো. ছিদ্দিকুর রহমান পাটওয়ারী, সিও এস এম রফিকুল ইসলাম, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের স্বাস্থ্য সেক্টরের উপ-পরিচালক মোঃ মোখলেছুর রহমান, তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের সমন্বয়কারী মোঃ শরিফুল ইসলাম, মিডিয়া ম্যানেজার রেজাউর রহমান রিজভী, প্রোগ্রাম অফিসার শারমিন আক্তার রিনি, অদুত রহমান ইমন প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বেশ কিছু দুর্বলতা তুলে ধরা হয়। এসময় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থা সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আলহাজ¦ মো. বদিউজ্জামান বাদল বলেন, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল (যাত্রী পরিবহন) সংস্থা এর আগেও তামাকবিরোধী নানাবিধ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। ভবিষ্যতেও আমরা তামাকবিরোধী কার্যক্রমের সঙ্গে ওতোপ্রতোভাবে যুক্ত থাকবো। বিশেষত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সংশোধনের বিষয়ে আমরাও একমত পোষণ করছি।
এসময় তিনি এও বলেন যে, যাত্রীবাহী নৌযানে তামাকজাত পণ্য বিশেষত বিড়ি- সিগারেটের অবাধ ব্যবহারের ফলে অগ্নিকান্ডের ঝুঁকি থেকেই যায়। একারণে যাত্রীবাহী নৌযানে তামাকজাত পণ্যের বিক্রি বন্ধে যথাযথ উদ্যোগ নেয়া হবে। তার এ বক্তব্যের সময় সংস্থার উপস্থিত সদস্যরা তাকে সমর্থন করেন।