জেমি সিডন্সের সাথে চুক্তির সময়ই বিষয়টি আঁচ করা গিয়েছিল। তখন বাংলাদেশের ব্যাটিং কোচ হিসেবে ছিলেন অ্যাশওয়েল প্রিন্স। সিডন্সের পদ ছিল ব্যাটিং কনসালটেন্ট। সব মিলিয়ে দায়িত্বটা একই। বিসিবি অ্যাশওয়েল প্রিন্সকে ভিন্ন দায়িত্ব দেয়ায় হয়েছে রদবদল। ব্যাটিং কোচ থেকে সরে গেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রিন্স। সেই জায়গায় দায়িত্ব পালন করবেন এখন জেমি সিডন্স।
বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের উদ্ধৃতি দিয়ে ক্রিকইনফোও বলেছে, ‘জেমি সিডন্স জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ হতে যাচ্ছেন। সিনিয়র ক্রিকেটার ও বোর্ড ডিরেক্টরদের কাছ থেকে আমরা শুনেছি যে তিনি ভালো কোচ, এ কারণেই তাকে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে।’
জেমি সিডন্স ২০০৭ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর তিনি পদত্যাগ করেন। সিডন্সের অধীনে বাংলাদেশ দল ১৯ টেস্টের মধ্যে ২টি জিতেছে, হেরেছে ১৬টি।
ওয়ানডেতে ৮৪ ম্যাচে ৩১ জয়ের বিপরীতে পরাজয় ছিল ৫৩ ম্যাচে। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের ৮ ম্যাচে সবগুলোই হেরেছিল বাংলাদেশ। তবে সিডন্সের সবচেয়ে বড় অবদান ছিল আজকের এই পঞ্চপাণ্ডব তৈরিতে ভূমিকা রাখা।